ডাকা
আকাশে তখন মেঘ-রোদের রমণীয় লুকোচুরি।দীপ্ত মুখোশ পরে আসতেও ভুলে গেছে।ফোন শুধু নয় একেবারে ডাকা।বাড়ির সেই লোহার গেট।সেখানেই দাঁড়িয়ে অবন্তী।বাড়িতে কিছু কাজ চলছে।চারিদিকে ফালি কিচকিচ করছে।কতগুলো বছর হবে?কুড়ি?কোথ্থেকে যে ওর নম্বর পেল।কথা হল।বেশ গুরুতর।সে প্রশাসনের উঁচু পোস্টে।দীপ্তকে দরকার সাংস্কৃতিক একটা ট্যালেন্ট সার্চের জন্য।এলাকা অবন্তীর হতে পারে,কিন্তু চেনা নয়।পড়া-প্রেম-বিয়ে-চাকরির সুত্রে শহর ছেড়ে বরাবরই সে বেড়িয়েছে পালিয়ে।দীপ্ত সেই যেখানে ছিল আজও তাই।না পড়াশোনাটা হল না ছবি আঁকাটা।অথচ পেট চালায় ওই দুটোকে সম্বল করেই।ফলে শহরের প্রচুর ছেলেমেয়েকে ও চেনে।গ্রান্ট মিলবে বেশ অনেক।দীপ্তকেও সরকার একটা পারিশ্রমিক দেবে।দীপ্ত না আশাহত হয় না হয় শিহোরিত।অবন্তী বদলায় নি।ওর হাত নেড়ে ইশারায় বুঝতে পারে মুখোশ না পড়ে আসাটা ভুল হয়েছে।ও একটু নাটকীয়ভাবে দু'কান ধরে ক্ষমা চেয়ে নেয় তারপর স্কুটিতে স্টার্ট দেওয়ার আগে আর একবার অবন্তীকে ওই লোহার গেটের প্রেক্ষাপটে দ্যাখে যেখানেই কুড়ি বছর আগে প্রায় খুব তুচ্ছ কারণেই ঝগড়া হয়েছিল দু'জনের।অবন্তী আবার দ্যাখা হবে বললে দীপ্ত হাসে আর জিজ্ঞেস করে ওর নম্বরটা ও পেল কি করে?
লোকাল কাউন্সিলর।বালি কিচকিচ করছে চারিদিক।রোদ বেপাত্তা। অন্ধকারটায় কেমন যেন জ্বর জ্বর ভাব।দীপ্ত অত তাড়াহুড়ো না করে মুখোশটা পড়ে এলেই পারতো।
😊
ReplyDelete😊
ReplyDelete